তিউনিসিয়ার দারিদ্র্য: ৫টি চমকপ্রদ তথ্য যা আপনাকে ভাবাবে

webmaster

튀니지 내 빈곤층 문제 - **Prompt 1: Tunisian Youth Seeking Future**
    A young Tunisian man, in his early twenties, stands ...

বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আমাদের চারপাশে এখন এত ঘটনা ঘটছে যে কোনটা ছেড়ে কোনটা নিয়ে কথা বলবো, ভাবতেই মাথা গুলিয়ে যায়। আজকাল পৃথিবীর নানান প্রান্তে কতরকমের সমস্যার কথা শুনি, মনটা খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু জানেন কি, উত্তর আফ্রিকার ছোট্ট একটি দেশ তিউনিসিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিটা সত্যিই খুব ভাবিয়ে তোলার মতো। কিছুদিন আগেও যে দেশটা আশার আলো দেখাচ্ছিলো, সেখানে এখন দারিদ্র্য আর বেকারত্বের কালো মেঘ যেন চেপে বসেছে।আমি নিজে যখন খবরগুলো দেখি, তখন মনে হয়, ইস!

튀니지 내 빈곤층 문제 관련 이미지 1

কী ভীষণ চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সেখানকার মানুষগুলো! বিশেষ করে সেখানকার তরুণ-তরুণীরা, যারা একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে, তাদের জন্য চাকরি খুঁজে পাওয়াটা যেন এক কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সাল থেকেই তিউনিসিয়ার অর্থনীতি ধুঁকছে, আর এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকেই বেকারত্বের হার প্রায় ১৬ শতাংশ ছুঁয়েছে। তরুণদের মধ্যে তো প্রায় ৩৭ শতাংশেরও বেশি বেকার!

ভাবুন একবার, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে হাতে সার্টিফিকেট নিয়েও কাজ নেই। এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে, জিনিসের দামও আকাশছোঁয়া – মুদ্রাস্ফীতিও বেশ চওড়া।কোভিড-১৯ মহামারীর ধাক্কাটা তিউনিসিয়াকে ভীষণভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে, যার রেশ এখনো কাটেনি। এমন কঠিন সময়ে অনেক পরিবারই একরকম দিশেহারা। অনেকে তো বাধ্য হয়ে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমাতে চাইছে, একটু ভালো জীবনের আশায়। কিন্তু সেই যাত্রাও কত বিপজ্জনক, কত অনিশ্চিত!

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বেশ জটিল, যা অর্থনৈতিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই সব মিলিয়ে তিউনিসিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।আসুন, নিচের এই আলোচনায় আমরা তিউনিসিয়ার দারিদ্র্য সমস্যার গভীরে ডুব দেব, এর কারণগুলো জানবো এবং ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, সে সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য খুঁজে বের করবো। চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক!

তিউনিসিয়ার অর্থনীতির চোরাবালি: কেন এই সংকট?

তিউনিসিয়ার অর্থনীতি এখন যেন এক চোরাবালিতে আটকে গেছে, যেখানে যত বেশি নড়াচড়া করছে, ততই গভীরে তলিয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, যেকোনো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড যদি দুর্বল হয়, তাহলে সে দেশের মানুষের জীবনযাত্রায় তার সরাসরি প্রভাব পড়ে। তিউনিসিয়ার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে অর্থনৈতিক সংস্কারের অভাব, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার টানাপোড়েন এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। বিশেষ করে, পর্যটন এবং কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অপ্রত্যাশিত ধাক্কা খেয়েছে, যা গ্রামীণ এবং শহুরে উভয় অঞ্চলের মানুষের আয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আমি যখন এই তথ্যগুলো দেখি, তখন ভাবি, একটা দেশ যখন তার মূল অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিগুলোতেই দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষ কিভাবে বেঁচে থাকবে!

এই অর্থনৈতিক মন্দার কারণে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, উল্টো অনেক ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা বেকারত্বের সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকেই তিউনিসিয়ার অর্থনীতি ধুঁকছে, আর এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে বেকারত্বের হার প্রায় ১৬ শতাংশ ছুঁয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধিও প্রায় শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে, যা খুবই উদ্বেগজনক।

কাঠামোগত সমস্যা এবং মন্দা

তিউনিসিয়ার অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো মূলত কাঠামোগত। একসময় যে শিল্পগুলো দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, সেগুলোর আধুনিকীকরণ না হওয়ায় বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা হারাচ্ছে। পুরাতন শিল্পনীতি, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, আর দুর্নীতি—এসবই বিনিয়োগকারীদের মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করছে। আমি নিজে যখন বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক মডেল নিয়ে গবেষণা করি, তখন দেখি, যে দেশগুলো দ্রুত পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে পারে, তারাই টিকে থাকে। তিউনিসিয়াতে এই পরিবর্তনটা খুব ধীরগতিতে হচ্ছে, আর তার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তারা নতুন কিছু শুরু করতে চাইলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের উদ্ভাবনী শক্তিকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

পর্যটন ও কৃষিখাতের নাজুক পরিস্থিতি

পর্যটন খাত তিউনিসিয়ার অর্থনীতির এক বিশাল অংশ। যখন সেখানে অস্থিরতা দেখা দেয়, তখন বিদেশি পর্যটকরা আসা বন্ধ করে দেন, আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, হস্তশিল্প এবং পরিবহন খাতের হাজার হাজার শ্রমিকের উপর। এই বছর ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ৫.২৯ মিলিয়ন পর্যটক তিউনিসিয়াতে এসেছেন, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৯.৮% বেশি। এটি আশাব্যঞ্জক হলেও, দীর্ঘমেয়াদী সংকট কাটাতে আরও অনেক কিছু প্রয়োজন। অন্যদিকে, কৃষিখাতে গত চার বছর ধরে তীব্র খরা চলছে, যার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জলধার শুকিয়ে যাওয়ায় অনেক খামারি তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন, অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এটা শুধু আয়ের উৎস বন্ধ করছে না, খাদ্য নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলছে।

তারুণ্যের স্বপ্নভঙ্গ: বেকারত্বের অভিশাপ

আমার মনে আছে, যখন আমরা তরুণ ছিলাম, তখন কত স্বপ্ন দেখতাম একটা ভালো চাকরির, একটা সুন্দর ভবিষ্যতের। কিন্তু তিউনিসিয়ার তরুণদের জন্য এই স্বপ্নগুলো যেন প্রতিনিয়ত ভেঙে যাচ্ছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়েও তারা চাকরি পাচ্ছে না। ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে তরুণদের মধ্যে প্রায় ৩৭ শতাংশেরও বেশি বেকার। এটা একটা দেশের জন্য কতটা মর্মান্তিক হতে পারে, ভাবুন একবার!

এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত যুবক যখন কর্মহীন থাকে, তখন সমাজে হতাশা, ক্ষোভ আর অস্থিরতা বাড়তে বাধ্য। আমি যখন তিউনিসিয়ার তরুণদের চোখে এই হতাশা দেখি, তখন আমার মনটা সত্যিই ব্যথিত হয়। তারা তো দেশ গড়ার কারিগর, তাদের হাতেই তো দেশের ভবিষ্যৎ। অথচ তাদের শক্তি আর মেধাটা অব্যবহৃত রয়ে যাচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বিপজ্জনক পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে চাইছে, যার ফলে প্রায়শই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর শুনতে পাই।

Advertisement

শিক্ষিত বেকারের ভিড়

তিউনিসিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নত হলেও, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। আমি প্রায়শই দেখি, বহু যুবক ভালো রেজাল্ট নিয়েও বছরের পর বছর চাকরির জন্য ঘুরছে। এটা শুধু ব্যক্তিগত হতাশার জন্ম দেয় না, বরং দেশের মানবসম্পদেরও অপচয়। নতুন শিল্প স্থাপন না হওয়া, বিদেশি বিনিয়োগের অভাব, এবং প্রশিক্ষণের অভাবে তরুণরা আধুনিক চাকরির বাজারে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না। সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ থাকলেও, তার ব্যাপকতা বা কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আমার মনে হয়, সরকারের উচিত এই সমস্যাটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা, কারণ আজকের তরুণরাই আগামী দিনের তিউনিসিয়া।

প্রত্যাশার সংকট ও অভিবাসন

বেকারত্বের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তরুণদের মধ্যে একটা গভীর হতাশার জন্ম দিয়েছে। তারা যখন দেশে কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পায় না, তখন বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করে। মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে গিয়েও অনেকে সমস্যার মুখে পড়ছে, কেউ কেউ আবার ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হয়ে ফেরতও আসছে। এটা শুধু তাদের ব্যক্তিগত স্বপ্নকেই শেষ করে দিচ্ছে না, বরং পরিবারের জন্যও বিরাট আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমি যখন দেখি, কিভাবে একটা স্বপ্ন নিয়ে বের হওয়া তরুণদের জীবন এভাবে অন্ধকারে তলিয়ে যায়, তখন বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে। এই অনিশ্চিত যাত্রায় অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছে ভূমধ্যসাগরের গভীরে। এটা শুধুমাত্র একটি আর্থিক সংকট নয়, এটি একটি মানবিক সংকট।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি: সাধারণ মানুষের হাহাকার

বেকারত্বের পাশাপাশি তিউনিসিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বাড়ছে, তা সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। আমি যখন বাংলাদেশের বাজারদরের ওঠানামা দেখি, তখন তিউনিসিয়ার মানুষের কষ্টটা বুঝতে পারি। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া, কিন্তু আয় বাড়ছে না। এর ফলে অনেক পরিবারেই দু’বেলা খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ২০২৫ সালে তিউনিসিয়ার মুদ্রাস্ফীতি হার প্রায় ৩.৯% হবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যদিও এটি গত কয়েক বছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে এর প্রভাবটা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। মুদ্রাস্ফীতি যখন আয়কে ছাড়িয়ে যায়, তখন মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়, আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হয় নিম্ন আয়ের মানুষ।

মুদ্রাস্ফীতির কষাঘাত

মুদ্রাস্ফীতি যেন সাধারণ মানুষের পকেট থেকে silently টাকা বের করে নিচ্ছে। আমি দেখেছি, কিভাবে জিনিসের দাম বাড়ার সাথে সাথে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সঞ্চয় হারিয়ে ফেলে। তিউনিসিয়াতেও ঠিক একই ঘটনা ঘটছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম, জ্বালানি তেলের দাম, পরিবহনের খরচ – সব কিছুই ঊর্ধ্বমুখী। এর ফলে শিশুরা পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছে না, শিক্ষা ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে, আর চিকিৎসার খরচ বহন করা তো অনেকের কল্পনারও বাইরে। এটা শুধু খাবারের সমস্যা নয়, এটা একটি পরিবারের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

পরিবারের উপর চাপ

একটা পরিবারের উপার্জনকারী ব্যক্তি যদি বেকার থাকেন অথবা তার আয় যদি জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে না পারে, তাহলে সেই পরিবারের উপর কী ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়, তা আমি খুব ভালোভাবে বুঝি। তিউনিসিয়ায় অনেক পরিবার এখন দুটি অথবা তিনটি চাকরি করে কোনোমতে দিন কাটাচ্ছে। বহু পরিবার তাদের সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছে, আর যারা নিম্ন আয়ের, তাদের অবস্থা তো আরও করুণ। বাবা-মায়েদের মুখে যখন সন্তানদের ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা দেখি, তখন আমার খুব কষ্ট হয়। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে, অপরাধ প্রবণতাও বেড়ে যেতে পারে।

কোভিড-১৯ ও বৈশ্বিক চাপ: সংকটের নতুন মাত্রা

Advertisement

আমার মনে হয়, কোভিড-১৯ মহামারী সারা বিশ্বের অর্থনীতিকেই একটা বড় ঝাঁকুনি দিয়েছে, কিন্তু তিউনিসিয়ার মতো দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য এই ধাক্কাটা ছিল আরও মারাত্মক। যখন আমি করোনার সময়কার পরিস্থিতিটা মনে করি, তখন দেখি, কিভাবে সীমান্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, পর্যটন থমকে গিয়েছিল, আর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তিউনিসিয়ার অর্থনীতিও এর থেকে বাঁচতে পারেনি। মহামারীর কারণে তাদের পর্যটন খাত প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যায়, আর অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাহত হয়। এর রেশ এখনও রয়ে গেছে।

মহামারীর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব

কোভিড-১৯ শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতি করেই ক্ষান্ত হয়নি, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও তিউনিসিয়ার অর্থনীতিকে ভোগাচ্ছে। অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মহামারীর ধাক্কা সামলাতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে, যা আরও বেকারত্ব সৃষ্টি করেছে। সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটায় পণ্যের দাম বেড়েছে, যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিয়েছে। আমি যখন দেখি, একটা ছোট্ট ভাইরাস কিভাবে একটা দেশের অর্থনীতিকে বছরের পর বছর ধরে ভুগাতে পারে, তখন সত্যিই অবাক লাগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং কার্যকর পদক্ষেপ খুবই জরুরি।

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তার ফল

মহামারীর পাশাপাশি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাও তিউনিসিয়ার অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ে, তখন তিউনিসিয়ার মতো তেল আমদানিকারক দেশগুলোর উপর চাপ পড়ে। আবার, ইউরোপের অর্থনৈতিক মন্দাও তিউনিসিয়ার রপ্তানি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যখন একটি দেশ বিশ্ব অর্থনীতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত থাকে, তখন তাকে এই ধরনের বৈশ্বিক চাপের মোকাবিলা করতে হয়। কিন্তু একটি দুর্বল অর্থনীতি এই চাপ সামলাতে প্রায়শই ব্যর্থ হয়।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তার প্রভাব: এক জটিল সমীকরণ

যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর আমি দেখেছি, তিউনিসিয়ায় এই স্থিতিশীলতার অভাব বহু বছর ধরেই বিদ্যমান। যখন আমি খবরের কাগজ খুলি, তখন সেখানে প্রায়শই তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক সংঘাত, সরকার পরিবর্তন, বা বিক্ষোভের খবর দেখি। এই রাজনৈতিক অস্থিরতা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করে দেয় এবং অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগকেও নিরুৎসাহিত করে। আমার মনে হয়, যখন একটি দেশের সরকার ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়, তখন দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর।

সরকার ও সংস্কারের টানাপোড়েন

তিউনিসিয়ায় সরকার পরিবর্তনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রক্রিয়াও বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন সরকার এলে পুরনো পরিকল্পনা বাতিল করে নতুন পরিকল্পনা নিতে চায়, যা ধারাবাহিকতাকে নষ্ট করে। আমি দেখেছি, কিভাবে এই টানাপোড়েন দেশের উন্নতির গতিকে শ্লথ করে দেয়। দুর্নীতির অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও দুর্বল করে তোলে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ে।

গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

আরব বসন্তের পর তিউনিসিয়া গণতন্ত্রের পথে হেঁটেছিল, যা ছিল খুবই প্রশংসনীয়। কিন্তু গণতন্ত্রের সাথে সাথে যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসার কথা ছিল, তা পুরোপুরি আসেনি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যতটাই কঠিন, তার চেয়েও কঠিন হল গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা। মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়, কিন্তু যখন সেই প্রত্যাশা পূরণ হয় না, তখন হতাশা সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক নেতারা যদি শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার দিকে মনোযোগী হন, তাহলে অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো উপেক্ষিতই থেকে যায়।

আশার আলো কি এখনও আছে? ভবিষ্যতের পথরেখা

তিউনিসিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আমি এখনও আশাবাদী যে, সঠিক পদক্ষেপ নিলে এই দেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, কোনো সমস্যাই চিরস্থায়ী নয়, শুধু সঠিক পরিকল্পনা, দৃঢ় সংকল্প আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা মোকাবিলা করা সম্ভব। তিউনিসিয়ার মানুষের মধ্যে যে উদ্যম আর কর্মস্পৃহা আছে, তাকে কাজে লাগাতে পারলে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে। আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও উচিত তিউনিসিয়ার পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা।

সম্ভাব্য সমাধান এবং উদ্যোগ

튀니지 내 빈곤층 문제 관련 이미지 2
তিউনিসিয়াকে এই সংকট থেকে বের করে আনতে হলে কয়েকটি দিকে মনোযোগ দিতে হবে। প্রথমত, কৃষি ও পর্যটন খাতে আধুনিকীকরণ এবং বৈচিত্র্য আনা। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, জলবায়ু সহনশীল ফসলের চাষ, আর নতুন পর্যটন আকর্ষণ তৈরি করে এই খাতগুলোকে শক্তিশালী করা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, তরুণদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে বিনিয়োগ করা। আমি দেখেছি, যখন তরুণরা কর্মক্ষম হয়, তখন তারা শুধু নিজেদেরই নয়, দেশের অর্থনীতিকেও এগিয়ে নিয়ে যায়। তৃতীয়ত, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি ঘটানো এবং দুর্নীতি দূর করা।

সূচক ২০২৩ (আনুমানিক) ২০২৫ (প্রত্যাশিত)
বেকারত্বের হার প্রায় 15.3% 16.1%
তরুণদের বেকারত্বের হার প্রায় 36% 37% (প্রথম ত্রৈমাসিক)
মুদ্রাস্ফীতি হার 8.0% 3.9%
জিডিপি প্রবৃদ্ধি 0.0% 0.0%
Advertisement

আন্তর্জাতিক সহায়তা ও অংশীদারিত্ব

তিউনিসিয়ার একা এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন। তাই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। আমি বিশ্বাস করি, যদি সঠিক শর্তে ঋণ এবং অনুদান দেওয়া হয়, তবে তিউনিসিয়া তা ব্যবহার করে নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারবে। এছাড়াও, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর উচিত তিউনিসিয়ার সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব বাড়ানো। এতে শুধু তিউনিসিয়ার অর্থনীতিই লাভবান হবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাও বজায় থাকবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে অস্থিরতা দেখা দিলে তার প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়ে।

글을마চি며

বন্ধুরা, তিউনিসিয়ার এই কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে আমাদের মন কিছুটা হলেও ভারাক্রান্ত হতে পারে। তবে ইতিহাস সাক্ষী, কঠিন সময় সব দেশের জীবনেই আসে, আর সঠিক পদক্ষেপ আর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসাও সম্ভব। তিউনিসিয়ার মানুষরা যে উদ্যম ও শক্তি নিয়ে দিনের পর দিন সংগ্রাম করছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমি বিশ্বাস করি, যদি দেশের নেতৃত্ব সঠিক পথে চলে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়, তাহলে তিউনিসিয়া খুব দ্রুতই এই অর্থনৈতিক চোরাবালি থেকে বেরিয়ে এসে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে। আমাদের প্রার্থনা আর শুভকামনা রইলো তিউনিসিয়ার ভাই-বোনদের জন্য!

알아두면 쓸모 있는 정보

১. অর্থনৈতিক সংকট শুধু তিউনিসিয়ায় নয়, বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশেই দেখা যায়। প্রতিটি দেশের নিজস্ব পরিস্থিতি এবং সমাধান প্রয়োজন।

২. বেকারত্ব কমাতে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ খুবই জরুরি। এতে তরুণরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।

৩. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের সঠিক আর্থিক নীতি গ্রহণ এবং জনসাধারণের সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

৪. ছোট ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখা যায়।

৫. আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ অপরিহার্য।

Advertisement

중요 사항 정리

তিউনিসিয়ার বর্তমান দারিদ্র্য ও বেকারত্ব মূলত কাঠামোগত অর্থনৈতিক সমস্যা, কোভিড-১৯ মহামারীর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব, পর্যটন ও কৃষিখাতে মন্দা, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ফল। তরুণদের মধ্যে উচ্চ বেকারত্বের হার, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। তবে, সঠিক অর্থনৈতিক সংস্কার, আন্তর্জাতিক সহায়তা, এবং স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে তিউনিসিয়া এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ সমাজের হাতে, তাই তাদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖

প্র:

তিউনিসিয়ার অর্থনীতি হঠাৎ করে এত খারাপ হয়ে যাওয়ার পেছনে মূল কারণগুলো আসলে কী?

উ: আমার নিজের অভিজ্ঞতা আর খবর ঘেঁটে যা দেখেছি, তিউনিসিয়ার বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে অনেকগুলো কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা ছিল কোভিড-১৯ মহামারী। এই মহামারীর কারণে পর্যটন শিল্প, যা তিউনিসিয়ার আয়ের একটা বড় উৎস, ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের ভেতরে ব্যবসা-বাণিজ্যও থমকে গিয়েছিল। এরপর থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটা খুবই ধীর গতিতে চলছে।
এছাড়াও, রাজনৈতিক অস্থিরতা একটা বড় কারণ। সরকারের ঘন ঘন পরিবর্তন আর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমিয়ে দিয়েছে। কেউ যেখানে নিশ্চিত নয় যে আগামীকাল কী হবে, সেখানে বিনিয়োগ করতে চাইবে কেন, বলুন?
এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। আমি নিজে মনে করি, তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করতে না পারাটা একটা মারাত্মক ব্যর্থতা। শিক্ষাব্যবস্থা আর শিল্পের মধ্যে একটা বড় ফারাক রয়ে গেছে, যার ফলে গ্র্যাজুয়েটরা বাজার উপযোগী দক্ষতা নিয়ে বের হতে পারছে না। এর সাথে যোগ হয়েছে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আমার নিজেরও যখন কোনো দোকানে যাই আর জিনিসের দাম দেখি, তখন মনে হয়, সাধারণ মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকাটা কতটা কঠিন!
সব মিলিয়ে, এই কারণগুলো এক হয়ে তিউনিসিয়ার অর্থনীতিকে একটা গভীর খাদে ফেলে দিয়েছে।

প্র:

এই অর্থনৈতিক সংকট তিউনিসিয়ার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে? বিশেষ করে তরুণদের ওপর এর প্রভাব কেমন?

উ: সত্যি বলতে, এই সংকট তিউনিসিয়ার মানুষের জীবনে খুব গভীর আর বেদনাদায়ক প্রভাব ফেলছে। আমি যখন খবরগুলো দেখি, তখন মনে হয়, ইস! এটা যেন প্রতিদিনের টিকে থাকার একটা যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতির কারণে জিনিসের দাম এত বেড়ে গেছে যে, সাধারণ আয়ের মানুষের জন্য দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি নিজে এমন অনেক পরিবারের গল্প শুনেছি, যারা তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিশেষ করে তরুণদের অবস্থা তো আরও খারাপ। উচ্চ শিক্ষা শেষ করেও যখন চাকরি নেই, তখন তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। আমার নিজের মনে হয়, এটা সত্যিই হৃদয়বিদারক। ৩৭ শতাংশেরও বেশি তরুণ বেকার থাকা মানে বিশাল একটা সম্ভাবনাময় প্রজন্ম হতাশায় ভুগছে। অনেকেই তাই বাধ্য হয়ে বিপজ্জনক পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমাতে চাইছে, একটু ভালো জীবনের আশায়। এই অবৈধ অভিবাসনের প্রচেষ্টাগুলো প্রায়শই মর্মান্তিক পরিণতি নিয়ে আসে, যা আমার মনকে সত্যিই নাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে, অপরাধ প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। একজন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যখন কোনো আশার আলো দেখে না, তখন সে যেকোনো চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে – এটাই তো স্বাভাবিক।

প্র:

তিউনিসিয়ার এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কি কোনো প্রচেষ্টা চলছে, অথবা ভবিষ্যতের জন্য কি কোনো আশার আলো দেখা যাচ্ছে?

উ: দেখুন, এমন একটা জটিল পরিস্থিতি থেকে রাতারাতি বেরিয়ে আসাটা খুব কঠিন। তবে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং তিউনিসিয়া সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমার জানামতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর মতো সংস্থাগুলোর সাথে তিউনিসিয়া ঋণ এবং অর্থনৈতিক সংস্কার প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করছে। এই সংস্কারগুলোর লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
সরকার যদিও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে এর সুফল পেতে সময় লাগবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংস্কারই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা এবং দুর্নীতি দমন করাটাও খুব জরুরি। তরুণদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্পগুলো আরও জোরদার করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের আশার আলো হিসেবে বলা যেতে পারে, তিউনিসিয়ার মানুষরা কিন্তু ভীষণ লড়াকু। তারা প্রতিবাদ করে, নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সোচ্চার হয়। এই সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি একদিন দেশকে এই সংকট থেকে বের করে আনবে বলেই আমার বিশ্বাস। তবে, পথটা যে মসৃণ হবে না, সেটা আমরা সবাই বুঝি।

📚 তথ্যসূত্র